ট্রেন্ডিং লাতে মেকাআপ লুক

পোশাকের মতো কয়েক বছর ধরে মেকাআপ ট্রেন্ডেও নানা পরিবর্তন এসেছে। মেকাআপ ট্রেন্ডের এক জনপ্রিয় নাম ” লাতে মেকাআপ লুক “৷ এ বছর বিশ্ব বিখ্যাত সব কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সেলিব্রিটিসহ সকলেই এই লুক ক্রিয়েট করেছে ও নানা এক্সপেরিমেন্ট করেছে। লাতে মেকাআপ লুক নাম শুনলে হয়তো যে কারো প্রথমে মাথায় আসবে কফির কথা। কিছুটা কফির মতো বাদামী আভাই দেয় এই মেকাআপ লুক৷ খুব ন্যাচারাল হবার কারণে কেউ চাইলে নিত্যদিনই এই মেকআপ লুক ক্রিয়েট করতে পারে। এই মেকআপে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় নুড এবং ব্রাউন শেড৷ সব স্কিনেই এই মেকাআপ করা যায় কিন্তু স্কিনটোনের সাথে মিল রেখে শেড বেছে নিতে হবে। অনেকেই মেকআপ করতে পছন্দ করে কিন্তু খুব ভারী মেকআপ নিতে চায় না, তাদের প্রথম পছন্দ লাতে মেকাআপ হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ক্রিয়েট করবেন জনপ্রিয় “লাতে মেকাআপ লুক”৷

প্রথমে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে আপনার স্কিনটোনের সাথে মিল রেখে খুব ন্যাচারাল একটি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

ফাউন্ডেশনের পরিবর্তে বিবি ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই খুব ন্যাচারাল শেড বেছে নিতে হবে৷ আবার ইচ্ছে করলে ফাউন্ডেশন এড়িয়ে শুধু কনসিলার ব্যবহার করে মুখের দাগ ঢেকে নিতে পারেন। এরপর কন্ট্যুর স্টিক দিয়ে ভালো করে কপাল, চিকবোন কন্ট্যুর করে নিন। এক্ষেত্রে খুব ভালো করে স্পঞ্জ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে৷ এরপর ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার দিয়ে মেকাআপটি সেট করে নিন৷ লাতে মেকাআপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে ব্রোঞ্জার। তাই নাকের উপর, গালে, কপাল ও গলার নিচে ভালো করে ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন৷ এই মেকাআপ লুকে সাধারণত ব্লাশঅন করা হয় না৷ তবে চাইলে খুব হালকা করে ব্লাশঅন লাগিয়ে নিতে পারেন৷

আই লুকের বেজ করার জন্য কুল-টোনড ব্লাউন লিকুইড আইশ্যাডো ব্যবহার করুন, এরপর ওয়ার্ম-টোনড ব্লাউন পাউডার আইশ্যাডো দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন৷ চাইলে হালকা করে উপরে শিমারি শ্যাডো লাগাতে পারেন৷ কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাউন কাজল বেছে নিন। এরপর মাশকারা লাগিয়ে চোখের সাজ শেষ করতে পারেন৷ লিপস্টিকের ক্ষেত্রে বেছে নিন নিউড লিপস্টিক ,এরপর ঠোঁটে লাগিয়ে নিন শিমারি লিপগ্লস।

ব্যস হয়ে গেলো ট্রেন্ডি লাতে মেকাআপ লুক। অন্যান্য মেকআপ লুকের তুলনায় লাতে মেকআপ লুক ক্রিয়েট করতে খুব কম সময় লাগে, চাইলে অফিস, ইউনিভার্সিটি যে কোন জায়গায় লাতে মেকআপ লুক করা যেতে পারে।

Leave a Reply